বাংলা

Alphabet Kids School

Where Kids Love to Learn

Director Speech

মানবজাতির হাত ধরে পৃথিবী পৌঁছে গিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। এই অবিস্মরণীয় অগ্রযাত্রার পেছনে রয়েছে জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভূমিকা। মানবজাতি গড়ে তুলেছে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ নির্ভর একটি অতি আধুনিক বিশ্বব্যবস্থা। প্রযুক্তির বদৌলতে বিশ্ব এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। সেই সাথে দেশে-দেশে, মানুষে-মানুষে পারস্পরিক প্রতিযোগিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে অতিমাত্রায়। এই প্রতিযোগিতাময় বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলার জন্য মেধা ও মূল্যবোধের বিকাশ, জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিক্ষা ও মৌলিক মানবাধিকারের ধারণা একান্ত প্রয়োজন। এছাড়া শিক্ষা খাতে বিনিয়োগকে বর্তমান সময়ে সন্তানদের জন্য শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে পরিগণিত করা হয়। 

প্রতিটি প্রাণী জন্মগতভাবে তার জাতিগত পরিচয় বহন করলেও মানুষ কিন্তু জন্মগতভাবে মানুষ হয় না। মানুষকে মানুষ হতে হলে দোলনা থেকে কবর অবধি সুশিক্ষার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। পারিবারিক শিক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক শিক্ষা একজন শিশুকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পরবর্তী জীবনে আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য বিরাট ভূমিকা রাখে। তাই শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, মূল্যবোধ অর্জন, সুশিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করণ ও প্রয়োজনীয় ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার প্রয়াস নিয়ে "অ্যালফাবেট কিডস স্কুল" হাজির হয়েছে আপনাদের সান্নিধ্যে। আমরা বরাবরই আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশীদার হতে আগ্রহী। "অ্যালফাবেট কিডস স্কুল" এ ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক রাখা হয়েছে। যার জন্য অভিভাবকদের আলাদা ফি প্রদান করতে হবে না। আপনার সন্তানদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশ নিশ্চিত করবার লক্ষ্যে স্কুল কার্যক্রমের পাশাপাশি আরও কিছু কোর্স প্রবর্তন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও মনোবল উন্নত রাখার জন্য "অ্যালফাবেট তায়কোয়ান্দো ক্লাব, ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা অর্জনের জন্য "অ্যালফাবেট ইংলিশ স্পিকিং ক্লাব" ও মনোজগতকে প্রসারিত করবার লক্ষ্যে "অ্যালফাবেট মিউজিক/কালচারাল ক্লাব" ২০২৬ সালে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সকল স্কুল/কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা কোর্সগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এই প্রোগ্রামগুলোতে বয়স ও দক্ষতা অনুযায়ী জুনিয়র ও সিনিয়র ক্যাটাগরিতে কোর্স সেবা গ্রহণের সুযোগ থাকবে। 

"অ্যালফাবেট কিডস স্কুল" তার শিক্ষার্থীদের স্কুলিং এর পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, আদব ও শিষ্টাচার, বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, উন্নত ব্যক্তিগত রুচিবোধ ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বেশ গুরুত্ব সহকারে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। একটি খুব সম্ভব আধুনিক, বৈচিত্র্যময় ও বহুমুখী কাঠামোর ভেতর দিয়ে এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া হবে যেন সত্যিকার অর্থেই আপনার সন্তানের ভবিষ্যতকে সুন্দর ও সাফল্যময় করে তোলা যায়। ১০ থেকে ২০ বছর পর আপনার সন্তানকে আপনি কোন অবস্থানে দেখতে চান তার সিদ্ধান্ত আপনাকে আজকেই নিতে হবে। আর আমরা আপনাদের স্বপ্ন পুরণের সারথি হয়ে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।